হরিশ্চন্দ্রপুর: ঘাস কাটতে গিয়ে দুই মহিলার উপর ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা অজ্ঞাত পরিচয় ব্যক্তির। হাঁসুয়ার কোপে মৃত্যু হয়েছে এক মহিলার। গুরুতর জখম হয়েছেন তাঁর জা। বুধবার বিকেলে ঘটনাটি ঘটেছে মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুরের দৌলতনগর লাগোয়া বিহারের আমদাবাদ থানার গোবিন্দপুর এলাকায়।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, নিহত মহিলার নাম চন্দ্রিকা মণ্ডল (৩৮)। তিনি হরিশ্চন্দ্রপুরের দৌলতনগর এলাকার বাসিন্দা। বুধবার দুপুরে চন্দ্রিকা ও তাঁর জা রুমা ঘাস কাটার জন্য দৌলতনগর সংলগ্ন বিহারের গোবিন্দপুর এলাকায় গিয়েছিলেন। ঘাস কেটে বিকেলে বাড়ি ফেরার সময় তাঁদের উপর পিছন দিক থেকে হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ।
অভিযোগ, প্রথমে চন্দ্রিকাকে হাঁসুয়া দিয়ে কোপায় ওই ব্যক্তি। ধারালো অস্ত্রের আঘাতে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। এরপর রুমার উপরও হামলা চালানো হয় বলে অভিযোগ। কোনওরকমে সেখান থেকে পালিয়ে বাড়িতে পৌঁছে পরিবারের সদস্যদের ঘটনার কথা জানান রুমা। পরে তাঁকে উদ্ধার করে মালদহ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানেই তাঁর চিকিৎসা চলছে।
হাসপাতালে শুয়ে রুমা জানান, “আমরা ঘাস নিয়ে ফিরছিলাম। আমি সামনে ও আমার জা পিছনে ছিল। আচমকাই ওই ব্যক্তি আমার জা-কে প্রথমে হাঁসুয়ার কোপ মারে। তারপর আমাকেও কোপ মারে। জা-কে লুটিয়ে পড়তে দেখেই আমি প্রাণ ভয়ে ছুটতে শুরু করি।”
ঘটনার খবর পেয়ে রাতে বিহারের আমদাবাদ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে চন্দ্রিকার দেহ উদ্ধার করে। পরে দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
এই ঘটনায় আমদাবাদ থানায় খুনের মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু হয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত হামলাকারীর পরিচয় জানা যায়নি। অভিযুক্তকে চিহ্নিত করে গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।







