হরিশ্চন্দ্রপুর: গেরুয়া রঙে পঞ্চায়েত ভবন সাজানোকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস আগে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের ভিঙ্গোল গ্রাম পঞ্চায়েত। সেই পঞ্চায়েতেই এবার এল রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের দল। সোমবার পঞ্চায়েতের পরিকাঠামো, পরিষেবা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রীয় গ্রাম স্বরাজ অভিযান (আরজিএসএ) প্রকল্পের আওতায় ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের সৌন্দর্যায়ন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। সেই অর্থে কী কী কাজ হয়েছে, কাজের অগ্রগতি এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন কতটা সঠিকভাবে হয়েছে—মূলত সেগুলিই পরিদর্শনে খতিয়ে দেখা হয়।
এদিন পঞ্চায়েত ভবনে পৌঁছে আধিকারিকরা প্রথমে বিভিন্ন পরিষেবা ও পরিকাঠামো ঘুরে দেখেন। পঞ্চায়েত চত্বরে বাল্যবিবাহ রোধ-সহ একাধিক সামাজিক সচেতনতামূলক বার্তা নজরে আসে। পাশাপাশি রয়েছে হেল্প ডেস্ক, পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং মনীষী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বাণী সম্বলিত বিভিন্ন ফলক।
পরে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বর্ষা বসাক, পঞ্চায়েত সদস্য এবং আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য ও জেলা পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রতিনিধিরা। পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ, নাগরিক পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
পরিদর্শনকারী দলের সদস্যরা পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা রেশম শিল্প সংক্রান্ত দপ্তর বা সেরিকালচার ইউনিটও ঘুরে দেখেন। সেখানে রেশম শিল্পের কাজকর্ম, পরিকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবার বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। এরপর ভিঙ্গোল গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা ভাগিনী নিবেদিতা শিশু উদ্যান পার্কেও যান আধিকারিকরা।
পঞ্চায়েত দপ্তরের পলিসি সেলের আধিকারিক রবিলোচন মণ্ডল বলেন, “পঞ্চায়েতের বিভিন্ন কাজ ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে পঞ্চায়েতের ব্যবস্থাপনা সন্তোষজনক।”
ভিঙ্গোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বর্ষা বসাক বলেন, “রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা পঞ্চায়েত পরিদর্শনে এসেছিলেন। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ও পরিষেবা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।”
ভিঙ্গোল পঞ্চায়েতে রাজ্যের বিশেষ নজর, উন্নয়ন ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখলেন আধিকারিকরা
হরিশ্চন্দ্রপুর: গেরুয়া রঙে পঞ্চায়েত ভবন সাজানোকে কেন্দ্র করে কয়েক মাস আগে বিতর্ক তৈরি হয়েছিল মালদহের হরিশ্চন্দ্রপুর-১ ব্লকের ভিঙ্গোল গ্রাম পঞ্চায়েত। সেই পঞ্চায়েতেই এবার এল রাজ্য সরকারের পঞ্চায়েত দপ্তরের উচ্চপদস্থ আধিকারিকদের দল। সোমবার পঞ্চায়েতের পরিকাঠামো, পরিষেবা এবং বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ সরেজমিনে খতিয়ে দেখেন তাঁরা।
জানা গিয়েছে, রাষ্ট্রীয় গ্রাম স্বরাজ অভিযান (আরজিএসএ) প্রকল্পের আওতায় ভিঙ্গল গ্রাম পঞ্চায়েতের সৌন্দর্যায়ন ও পরিকাঠামো উন্নয়নের জন্য অর্থ বরাদ্দ হয়েছিল। সেই অর্থে কী কী কাজ হয়েছে, কাজের অগ্রগতি এবং প্রকল্পের বাস্তবায়ন কতটা সঠিকভাবে হয়েছে—মূলত সেগুলিই পরিদর্শনে খতিয়ে দেখা হয়।
এদিন পঞ্চায়েত ভবনে পৌঁছে আধিকারিকরা প্রথমে বিভিন্ন পরিষেবা ও পরিকাঠামো ঘুরে দেখেন। পঞ্চায়েত চত্বরে বাল্যবিবাহ রোধ-সহ একাধিক সামাজিক সচেতনতামূলক বার্তা নজরে আসে। পাশাপাশি রয়েছে হেল্প ডেস্ক, পানীয় জলের ব্যবস্থা এবং মনীষী ও বিশিষ্ট ব্যক্তিদের বাণী সম্বলিত বিভিন্ন ফলক।
পরে গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বর্ষা বসাক, পঞ্চায়েত সদস্য এবং আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন রাজ্য ও জেলা পঞ্চায়েত দপ্তরের প্রতিনিধিরা। পঞ্চায়েতের উন্নয়নমূলক কাজ, নাগরিক পরিষেবা, পরিকাঠামো এবং প্রশাসনিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।
পরিদর্শনকারী দলের সদস্যরা পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা রেশম শিল্প সংক্রান্ত দপ্তর বা সেরিকালচার ইউনিটও ঘুরে দেখেন। সেখানে রেশম শিল্পের কাজকর্ম, পরিকাঠামো এবং সংশ্লিষ্ট পরিষেবার বিষয়গুলি খতিয়ে দেখেন তাঁরা। এরপর ভিঙ্গোল গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীনে থাকা ভাগিনী নিবেদিতা শিশু উদ্যান পার্কেও যান আধিকারিকরা।
পঞ্চায়েত দপ্তরের পলিসি সেলের আধিকারিক রবিলোচন মণ্ডল বলেন, “পঞ্চায়েতের বিভিন্ন কাজ ও পরিকাঠামো খতিয়ে দেখা হয়েছে। সামগ্রিকভাবে পঞ্চায়েতের ব্যবস্থাপনা সন্তোষজনক।”
ভিঙ্গোল গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান বর্ষা বসাক বলেন, “রাজ্য সরকারের আধিকারিকরা পঞ্চায়েত পরিদর্শনে এসেছিলেন। বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ ও পরিষেবা নিয়ে তাঁদের সঙ্গে আলোচনা হয়েছে।”






