মালদহ: উচ্চআদালতের নির্দেশে মালদহ জেলা পরিষদের সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষের বিরুদ্ধে অনাস্থার তলবি সভা অনুষ্ঠিত হল। সভায় তৃণমূলের ১৯ জন বিক্ষুব্ধ সদস্যের পাশাপাশি কংগ্রেসের পাঁচ জেলা পরিষদ সদস্যও উপস্থিত ছিলেন। ফলে অনাস্থার পক্ষে মোট ২৪ জন সদস্যের উপস্থিতি ছিল।
এর আগে সভাধিপতি লিপিকা বর্মন ঘোষ এবং সহকারী সভাধিপতি আবু তৈয়ব মহম্মদ রফিকুল ইসলাম দু’দিন আগেই নিজেদের পদ থেকে ইস্তফার কথা জানিয়ে মালদহের বিভাগীয় কমিশনারকে চিঠি দেন।
বৈঠক শেষে বিক্ষুব্ধ তৃণমূল সদস্যদের দাবি, তলবি সভায় অনাস্থা প্রস্তাব পাশ হয়েছে। প্রশাসনের তরফেও দুই পদাধিকারীর ইস্তফাপত্র গ্রহণের কথা জানানো হয়েছে।
কংগ্রেস নেত্রী মৌসম বেনজির নূর বলেন, “আমরা অনাস্থার পক্ষে ছিলাম। সভাধিপতিকে সরাতে চেয়েছিলাম। পরবর্তী সিদ্ধান্ত দলীয় স্তরে আলোচনা করেই নেওয়া হবে।”
৪৩ সদস্যের জেলা পরিষদে তৃণমূলের ৩৪, কংগ্রেসের ৫ এবং বিজেপির ৪ সদস্য। এখন প্রশ্ন, নতুন সভাধিপতি নির্বাচিত হবেন, নাকি প্রশাসক নিয়োগ হবে?







