চাঁচল: সময়ের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা কালিগ্রামের প্রায় সাড়ে চারশো বছরের প্রাচীন শিবমন্দির এবার পেল নতুন রূপ। দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে জীর্ণ হয়ে পড়া ঐতিহাসিক মন্দিরটি এলাকাবাসীর উদ্যোগ ও সহযোগিতায় প্রায় এক বছর ধরে সংস্কার করা হয়েছে। শ্রাবণের শেষ সোমবার বিশেষ পুজো-অর্চনা ও রুদ্রাভিষেকের মধ্য দিয়ে নবরূপে মন্দিরের পুনঃদ্বারোদ্ঘাটন করা হবে।
মালদার চাঁচল মহকুমার কালিগ্রাম গ্রামের রানী দীঘির পাড়ে অবস্থিত এই শিবমন্দিরটি দীর্ঘদিন ধরেই স্থানীয় মানুষের ধর্মীয় বিশ্বাস ও ঐতিহ্যের সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে। সংস্কারের পর মন্দির চত্বরে যুক্ত হয়েছে বেশ কিছু নতুন আকর্ষণ। প্রবেশপথে বসানো হয়েছে প্রায় ১২ ফুট উচ্চতার বিশাল ত্রিশূল। জানা গিয়েছে, ত্রিশূলটি উত্তরপ্রদেশ থেকে আনা হয়েছে। গর্ভগৃহের বাইরে স্থাপন করা হয়েছে বিশালাকার নন্দী মূর্তি। পাশাপাশি ঝাড়খণ্ডের দেওঘর থেকে আনা নতুন শিবলিঙ্গও প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে।
এলাকাবাসীরা জানান, দীর্ঘদিন সংস্কারের অভাবে মন্দিরের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছিল। সরকারি উদ্যোগের অপেক্ষায় না থেকে স্থানীয় বাসিন্দারাই মন্দির সংস্কারের দায়িত্ব নিজেদের কাঁধে তুলে নেন। তাঁদের অর্থসাহায্য ও সহযোগিতায় প্রায় এক বছর ধরে চলে কাজ।
শ্রাবণের শেষ সোমবার উপলক্ষে মন্দিরে বিশেষ পুজো, জলাভিষেক ও রুদ্রাভিষেকের আয়োজন করা হয়েছে। পুনঃদ্বারোদ্ঘাটন অনুষ্ঠানে সরকারি আধিকারিক, জনপ্রতিনিধি-সহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। নবরূপে সেজে ওঠা প্রাচীন শিবমন্দিরকে ঘিরে ইতিমধ্যেই এলাকায় তৈরি হয়েছে উৎসাহ। শেষ শ্রাবণ সোমবারে ভক্তদের ঢল নামবে বলে আশা স্থানীয়দের।







