
চাঁচল: বাঙালির সবচেয়ে বড় উৎসব দুর্গাপুজো। আর সেই দুর্গোৎসবের ষষ্ঠীর দিনেই শুরু হয়ে গেল শ্যামাপুজোর প্রস্তুতি। মণ্ডপে মণ্ডপে যখন উমার আরাধনায় মেতেছে বাংলা, তখন ঢাকের বাদ্যি আর পুরোহিতের মন্ত্রোচ্চারণের মধ্য দিয়ে কালীপুজোর খুঁটিপুজো সারল মালদার চাঁচলের রঙিন ক্লাব। বৃহস্পতিবার ষষ্ঠীর দিন মহা ধুমধাম ও উৎসাহের সঙ্গে খুঁটিপুজোর মধ্য দিয়ে ষষ্ঠ বর্ষের শ্যামাপুজোর প্রস্তুতি শুরু করল ক্লাব কর্তৃপক্ষ।
২০২১ সালে চাঁচলের সুইমিং পুল মাঠে কয়েকজন বন্ধুর উদ্যোগে শুরু হয়েছিল রঙিন ক্লাবের শ্যামাপুজো। দেখতে দেখতে এ বছর ষষ্ঠ বর্ষে পা দিল এই পুজো। প্রতি বছর নতুন ভাবনা ও আকর্ষণীয় মণ্ডপসজ্জার মাধ্যমে দর্শনার্থীদের নজর কাড়ার চেষ্টা করে উদ্যোক্তারা। গত বছর মণ্ডপের ভাবনায় ছিল রঙিলা রাজস্থান। আর এ বছর দর্শনার্থীদের জন্য থাকছে নেপালের বিখ্যাত মুক্তিনাথ মন্দিরের আদলে মণ্ডপ। পাশাপাশি, বিশেষ আকর্ষণ হিসেবে থাকবে ১০৮টি জলধারার দৃশ্য।
এ বছর প্রতিমা তৈরির দায়িত্বে রয়েছেন মৃৎশিল্পী তপন পাল। মণ্ডপসজ্জার দায়িত্ব সামলাচ্ছেন গোবিন্দ দাস। আলোকসজ্জার দায়িত্বে রয়েছেন মালদার শিল্পী দেবশঙ্কর ঝা।
খুঁটিপুজোর অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন চাঁচল সিদ্ধেশ্বরী ইনস্টিটিউশনের প্রধান শিক্ষক পার্থ চক্রবর্তী ও সহশিক্ষক জয়শঙ্কর রায়। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ক্লাব সভাপতি অর্পণ বিশ্বাস, সম্পাদক অমিত কুণ্ডু, কোষাধ্যক্ষ রাহুল সিংহ-সহ ক্লাবের অন্যান্য সদস্যরা।
উমার আরাধনার আবহেই শ্যামাপুজোর প্রস্তুতি শুরু হওয়ায় খুশি ক্লাবের সদস্যরা। এখন দেখার, মুক্তিনাথ মন্দিরের আদলে মণ্ডপ এবং ১০৮টি জলধারার অভিনব ভাবনা এ বছর চাঁচলের দর্শনার্থীদের কতটা মন জয় করে।







