রতুয়া: ধর্মের পরিচয় আলাদা হতে পারে, কিন্তু উৎসবের আনন্দে মিশে যায় সব ভেদাভেদ। কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে দুর্গাপুজোর আয়োজন, একসঙ্গে উৎসবের প্রস্তুতি—এভাবেই সম্প্রীতির নজির গড়ে চলেছে মালদার রতুয়ার বাহারাল শরৎচন্দ্র মেমোরিয়াল ক্লাব। এবার সেই পুজো পা দিল সুবর্ণজয়ন্তী বর্ষে। তাই উৎসবের আবেগের সঙ্গে জুড়েছে বাড়তি উন্মাদনা।
১৯৭৭ সালে শুরু হওয়া এই পুজোর দায়িত্ব এক দশক আগে নেয় ক্লাব। তীর্থঙ্কর রায়, নিমাই দাস, ত্রিদিব রায়, প্রভাত দাস, শেখ হান্নান, শেখ শামিমদের সম্মিলিত উদ্যোগেই প্রতি বছর সেজে ওঠে পুজোর আসর। পঞ্চাশ বছরের এই পথচলায় সম্প্রীতিই হয়ে উঠেছে পুজোর অন্যতম পরিচয়।
এবার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে থাকছে বিশেষ আয়োজন। মন্দিরের আদলে তৈরি হচ্ছে বিশাল মণ্ডপ। আধুনিক সাজে সজ্জিত দেবী দুর্গা-সহ সব প্রতিমার পরনে থাকবে আসল বেনারসি শাড়ি। পঞ্চমীতে হবে উদ্বোধন। ওই দিন মহিলাদের শোভাযাত্রা করে নদী থেকে জল এনে ঘট ভরার আয়োজন রয়েছে। পুজোর দিনগুলিতে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের পাশাপাশি দর্শনার্থীদের জন্য থাকবে ভুনা খিচুড়ির ভোগ। আর পুজোর চারদিন ধরে চণ্ডীপাঠ করেন ক্লাবেরই সদস্য অরিত্র রায়।
পুজো উদ্যোক্তা সৌমিত্র রায়ের কথায়, অষ্টমীতে কুমারী মেয়েদের পাশাপাশি বসিয়ে পুজো করা হয়। ক্লাবের উদ্যোগে হলেও এই পুজো আসলে সকলের। পঞ্চাশ বছরের আবেগে তাই এবারও সম্প্রীতি আর মিলনের সুরই প্রধান।







