চাঁচল: ঘাস কাটতে গিয়ে এক মহিলা খুন এবং অপর এক মহিলা গুরুতর জখম হওয়ার ঘটনায় তদন্তে তৎপর মালদহ জেলা পুলিশ। শুক্রবার নিহত চন্দ্রিকা মণ্ডলের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের দৌলতনগরে তাঁর বাড়িতে যান মালদহের পুলিশ সুপার অনুপম সিং। পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার পাশাপাশি নিহতের দুই ছেলের বিষয়েও খোঁজ নেন তিনি। তাঁদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে পুলিশের তরফে।
এরপর পুলিশ সুপার অনুপম সিং বিহারের আমদাবাদ থানার গোবিন্দপুরে সেই ঘটনাস্থলেও যান। সেখানে বিহার পুলিশের আধিকারিকদের সঙ্গে যৌথভাবে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন তিনি।
উল্লেখ্য, গত বুধবার বিকেলে হরিশ্চন্দ্রপুর-২ ব্লকের দৌলতনগরের বাসিন্দা দুই মহিলা চন্দ্রিকা মণ্ডল ও রুম্পা মণ্ডল বাংলা-বিহার সীমান্ত লাগোয়া বিহারের গোবিন্দপুর এলাকায় ঘাস কাটতে গিয়েছিলেন। অভিযোগ, সেখানে এক অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি ওই হামলা চালায়। ঘটনাস্থলে এই চন্দ্রিকার মৃত্যু হয়। রুম্পা মালদহ মেডিকেলে চিকিৎসাধীন। ঘটনাটি বিহারের ভূখণ্ডে ঘটেছে, তাই মূল তদন্ত করছে বিহার পুলিশ। তবে তদন্তে সবরকম সহযোগিতা করছে মালদহ জেলা পুলিশও।
মালদহের পুলিশ সুপার অনুপম সিং বলেন, গোটা ঘটনার তদন্ত বিহার পুলিশ করছে। মালদহ জেলা পুলিশ সবসময় বিহার পুলিশের সঙ্গে যৌথভাবে কাজ করছে। নিহতের পরিবারের সঙ্গে কথা বলা হয়েছে। পরিবারের পাশে পুলিশ-প্রশাসন রয়েছে। নিহতের দুই ছেলের আধার কার্ড না থাকার বিষয়টিও খতিয়ে দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।
অন্যদিকে, ঘটনার খবর পেয়ে আহত রুম্পা মণ্ডলকে দেখতে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে যান ইংরেজবাজারের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক তথা কেন্দ্রীয় বিজেপি মহিলা মোর্চার সদস্য শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী। তিনি দুই পরিবারের পাশে থাকার এবং আর্থিক সাহায্যের আশ্বাস দেন।
শ্রীরূপা মিত্র চৌধুরী বলেন, বিষয়টি নিয়ে তিনি রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে কথা বলেছেন। মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিল থেকে দুই পরিবারকে সাহায্য করা হবে বলে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।







